Join our subscribers list to get the latest news, updates and special offers directly in your inbox
রোজার প্রথম প্রহর। কক্সবাজারে জুম কাটার আকাশে ফজরের আলো ফোটার ঠিক আগে মসজিদের মাইকে সেহরির শেষ সময়ের ঘোষণা শোনা গেল। গ্রামজুড়ে তখন ব্যস্ততা, সবার ঘরে সেহরির আয়োজন চলছে। কারও ঘরে দুধ-রুটি, কারও পোলাও-মাংস, কারও বা নরম গরম রুটি আর ঘন ডাল।কিন্তু আব্দুল্লাহর ঘরে এসব কিছুই নেই। মাত্র এক মুঠো মুড়ি আর শুকনো খেজুরের কয়েকটি টুকরো নিয়ে মা ও ছেলে একসঙ্গে বসে আছে। মা চোখ মুছলেন। ছেলেকে কষ্ট দিতে চান না, কিন্তু তার বুকের ভেতরটা হাহাকার করে উঠল।আব্দুল্লাহ মায়ের হাত ধরে হেসে বলল,
"মা, আমাদের খাবার একটু কম, কিন্তু রোজাটা তো আসলেই ধৈর্যের পরীক্ষা। আমরা ঠিক জিতব, দেখো!"
সে জানে, এই ক্ষুধা শুধু তার একার নয়। আশপাশের আরও অনেক ঘরে আজ ঠিক এই চিত্র। শুধু তাদের কোনো কণ্ঠ নেই, শুধু তাদের কষ্ট কেউ দেখে না।সূর্য মাথার ওপরে উঠতেই গরমে বাতাস ভারী হয়ে আসে। আব্দুল্লাহর ঠোঁট ফেটে চৌচির, তৃষ্ণায় গলা শুকিয়ে কাঠ। তবুও সে ক্লাসে যায়, লেখাপড়া করে, মুখে হাসি ধরে রাখে। তার বন্ধুরা কেউ লুকিয়ে পানি খায়, কেউ মাদ্রাসার পাশে লুকিয়ে বিস্কুট খায়। কেউ আবার এসে কানে কানে বলে,
"এত কষ্ট করছ কেন? রোজা ভেঙে ফেলো না হয়!"
কিন্তু আব্দুল্লাহ মৃদু হেসে বলে, "আল্লাহ আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছেন। পরীক্ষায় তো পাশ করতেই হবে, তাই না?"
বিকেল গড়াতে থাকে। মাঠে খেলতে যায় না সে, বরং দৌড়ে হাজী ইসমাইল সাহেবের মুদি দোকানে যায়। কাজ শেষে সামান্য কিছু টাকা হাতে আসে। সে দ্রুত বাজারে গিয়ে কিনে নেয় সামান্য মুড়ি, কয়েকটা খেজুর আর একটু সস্তা সেমাই। এ যেন তার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাওয়া!মা খাবারগুলো দেখে আবেগে চোখের জল ফেললেন। কিন্তু মুখে হাসি টেনে বললেন, "আল্লাহ আমাদের দেখছেন, বাবা! তিনি কখনো আমাদের ফেলে রাখবেন না।"
সন্ধ্যা নামে। আকাশে রঙিন আলো মিশে যায়। বাতাসে আজানের সুমধুর ধ্বনি ভেসে আসে। আব্দুল্লাহ মায়ের পাশে বসে ইফতার শুরু করে। খেজুরের ছোট্ট টুকরো মুখে দিয়ে মনে হলো, এটাই যেন জান্নাতের শ্রেষ্ঠ খাবার!ঠিক তখনই দরজায় শব্দ হলো। বাইরে হাজী ইসমাইল সাহেব দাঁড়িয়ে আছেন, হাতে বড় খাবারের থলে আর কিছু টাকা। আব্দুল্লাহ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে।
"বাবা, তোমার ধৈর্য, তোমার ইমান আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই মাস রহমতের, এই মাস দানের। আমি এসেছি তোমাদের জন্য আল্লাহর রহমত নিয়ে!"
আব্দুল্লাহর চোখে পানি এসে গেল। এতদিন শুধু শুনেছে, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন। আজ সে তা নিজের চোখে দেখল।রাত গভীর হলে আব্দুল্লাহ মায়ের পাশে শুয়ে বলল, "মা, আমি বড় হয়ে এমন একজন হবো, যে গরিবদের অভুক্ত থাকতে দেবে না।"
মা কেঁদে ফেলে, কিন্তু সে কান্না বেদনার নয়, বরং তৃপ্তির। আজ তার ছেলে সত্যিকারের রমজানের শিক্ষা পেয়েছে।
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক সোমবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক শুক্রবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক বৃহঃস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক মঙ্গলবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক রবিবার, ১৬ই মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক সোমবার, ১৭ই মার্চ ২০২৫, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক সোমবার, ১০ই মার্চ ২০২৫, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক শনিবার, ৮ই মার্চ ২০২৫, ০৩:১০ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক রবিবার, ৯ই মার্চ ২০২৫, ০৩:০১ অপরাহ্ন
জাতীয় নির্বাচন আগে প্রয়োজন।
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন প্রয়োজন।
কোন নির্বাচনই বর্তমানে প্রয়োজন নেই, সংস্কার আগে প্রয়োজন।
ভোট দিন ফলাফল
Total Vote: 9
View Options