Join our subscribers list to get the latest news, updates and special offers directly in your inbox
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সরকারের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, নির্বাচনী সংস্কারের নামে কিছু রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য যে প্রক্রিয়া চলছে, তা তার দল সহজে মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ওদের হাতে, ওদের কলমে যে সংস্কার হচ্ছে, তা আমরা মানব না। সংস্কার যদি করা হয়, আমরা তার কারেকশন করব। বিএনপি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একযোগে এই কারেকশন করে জাতির সামনে তুলে ধরবে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘যারা এ দেশের নাগরিকও নন, এমন কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবী দিয়ে সংস্কার করা হচ্ছে। এটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না।’
গত রোববার (১৫ মার্চ, ২০২৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা চাই, নির্বাচনের জন্য যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন, শুধু ততটুকু করা হোক এবং দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হোক। নির্বাচনের পর যিনি বা যে দল ক্ষমতায় আসবেন, আমরা তাদের সালাম জানিয়ে মেনে নেব। কিন্তু কোনো অনির্বাচিত সরকার বা ব্যক্তির কথা আমরা কখনোই মানব না।’
রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচন নিয়ে চলমান সংশয় ও সন্দেহের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা শুনছি। কেউ বলছেন নির্বাচন হবে, কেউ বলছেন হবে না। আমরা এসব গুজবে বিশ্বাস করতে চাই না। আমাদের বিশ্বাস ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর। তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেই কথা তিনি রাখবেন বলে আমরা আশা করি। আমরা আশা করছি, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি নির্বাচন পাব।’ তবে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘দেখছি, কিছু লোক ড. ইউনূসকে বোকা ভেবে যা খুশি তাই বলছে, যা খুশি তাই করছে। এরা সংবিধান নতুন করে লিখতে চায়। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
মির্জা আব্বাস সংস্কারকে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা শুধু নির্বাচনী সংস্কারে মনোযোগ দিন। বাকি সংস্কার নির্বাচিত সরকারের হাতে ছেড়ে দিন। নির্বাচন ছাড়া কোনো সংস্কার আমরা মানব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিনা ভোটে দেশের মানুষকে শাসন করার চেষ্টা চলছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’
বিএনপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, কয়েকজন তথাকথিত বুদ্ধিজীবীর পরামর্শে দেশকে অশান্তির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘দয়া করে এই দেশকে অশান্তির দিকে ঠেলে দেবেন না। আমরা শান্তি চাই। এ দেশের মানুষ বহু জুলুম সহ্য করেছে। আমরাও বহুবার জেল খেটেছি। আর জেল খাটতে চাই না। দীর্ঘদিন পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এবং দেশের মানুষের কষ্টের ফলে এই শান্তি এসেছে। এই শান্তি নষ্ট করবেন না।’
বর্তমানে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো দাবি করে আসছে, সংস্কার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হোক। মির্জা আব্বাসের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অফিস ডেস্ক
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক সোমবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক শুক্রবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক বৃহঃস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক মঙ্গলবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক রবিবার, ১৬ই মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক সোমবার, ১৭ই মার্চ ২০২৫, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক সোমবার, ১০ই মার্চ ২০২৫, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক শনিবার, ৮ই মার্চ ২০২৫, ০৩:১০ অপরাহ্ন
চব্বিশের বার্তা প্রতিবেদক রবিবার, ৯ই মার্চ ২০২৫, ০৩:০১ অপরাহ্ন
জাতীয় নির্বাচন আগে প্রয়োজন।
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন প্রয়োজন।
কোন নির্বাচনই বর্তমানে প্রয়োজন নেই, সংস্কার আগে প্রয়োজন।
ভোট দিন ফলাফল
Total Vote: 9
View Options