শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪
একক পরিচয়পত্র (এক-আইডি) উদ্যোগের মূল বিবরণ
  • উদ্যোগের নাম ও ধারণা: সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ ধারণার ভিত্তিতে ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’ চালুর পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি মাত্র স্থায়ী ও স্বতন্ত্র ডিজিটাল পরিচয়পত্র থাকবে, যা দিয়ে নাগরিক সেবা প্রাপ্তি ও ডিজিটাল লেনদেন উভয়ই করা সম্ভব হবে।
  • বাস্তবায়নকারী ও সময়কাল: প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। এর নির্ধারিত মেয়াদ ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল এবং এটি বর্তমানে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। নতুন এই প্রকল্পের নাম ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ (ডি-স্টার)।
  • প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়ন: প্রস্তাবিত মোট প্রকল্প ব্যয় ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা।
  • কার্ডপ্রতি খরচ: ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিকল্পনা করা হলেও ২০ কোটি কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ করা হবে। প্রতিটি পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণে ২৪৬ টাকা এবং বিতরণ ও সরবরাহে ১২৩ টাকা সহ মোট খরচ ধরা হয়েছে ৩৬৯ টাকা। সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হবে কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণে (৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা)।
  • সুবিধা ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা: জন্মের পরই শিশুরা এই পরিচয়পত্র পাবে এবং সারা জীবন স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ সব ধরনের সেবা প্রাপ্তিতে এটি ব্যবহার করতে হবে। এটি চালু হলে ধীরে ধীরে এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বিদ্যমান অন্যান্য কার্ডের কার্যকারিতা থাকবে না এবং সরকারি দপ্তরে বারবার একই তথ্য দেওয়ার ভোগান্তি কমবে।
Share.
Leave A Reply Cancel Reply
প্রকাশক : ফোরকান পাহলান
সম্পাদক : ইমরান হোসেন
স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক 24barta.com
Exit mobile version