সোমবার, আগস্ট ১০

হাইলাইটস

  • নতুন পদক্ষেপ: বিদেশে নামে-বেনামে থাকা সম্পদ উদ্ধারের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ের কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো।

  • পরামর্শক নিয়োগ: এ লক্ষ্যে আটটি আন্তর্জাতিক আইনি ও পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক: আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ৩৮টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

  • দ্রুত চুক্তি করার নির্দেশ: বিদেশে সম্পদ উদ্ধারে যেসব ব্যাংক এখনো এই আট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেনি, তাদের তা দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উদ্যোগের মূল বৈশিষ্ট্য

  • ‘নো উইন, নো পে’ নীতি: সম্পদ পুনরুদ্ধারের এই কার্যক্রমে ব্যাংকগুলোকে কোনো অগ্রিম অর্থ দিতে হবে না। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব খরচে সম্পদ অনুসন্ধান করবে এবং উদ্ধারকৃত সম্পদের একটি অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে পাবে।

  • চিহ্নিত প্রতিষ্ঠান: সিআইবি ডাটাবেজ অনুযায়ী ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে এবং বিদেশে সম্পদ থাকার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে এমন ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

  • উল্লেখযোগ্য গ্রুপ: চিহ্নিত ৪২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম হলো—এসবি এক্সিম গ্রুপ, হাবিব গ্রুপ, ইয়াসীর গ্রুপ, এডব্লিউআর গ্রুপ, লিবার্টি গ্রুপ, প্রিমিয়ার গ্রুপ, লস্কর গ্রুপ ও সাদ মুসা গ্রুপ।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দেশসমূহ

  • দায়িত্বপ্রাপ্ত ৮ বিদেশি সংস্থা:

    1. গ্র্যান্ট থর্নটন

    2. আরআই কনসোর্টিয়াম

    3. বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি

    4. ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রোল

    5. ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস

    6. রহমান রাভেলি অ্যান্ড ইন্টারপাথ

    7. বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর

    8. অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস

  • যেসব দেশে পাচারের তথ্য মিলেছে: যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, হংকং, চীন, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক): “দেশ থেকে চলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত আনতে ব্যাংকগুলো কাজ করছে। পাচার করা অর্থ কতটুকু ফিরবে সেটি পরের বিষয়, তবে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে এবং বিদেশে থাকা অর্থ জব্দ করতে আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।”

আরিফ হোসেন খান (মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক): “চুক্তিবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে থাকা সম্পদের অবস্থান ও পরিমাণ শনাক্তের কাজ করছে। সম্পদ চিহ্নিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী তা জব্দ, আদালতের নির্দেশে বিক্রি বা নিষ্পত্তি করে অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।”

Share.
Leave A Reply Cancel Reply
প্রকাশক : ফোরকান পাহলান
সম্পাদক : ইমরান হোসেন
স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক 24barta.com
Exit mobile version