১. প্রথমিক পদক্ষেপ (১৯৯৬)
-
তারিখ ও স্থান: ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬, শুক্রবার সকালে ঢাকার নিউ ইস্কাটন রোডের ফ্ল্যাট থেকে সালমান শাহ্র লাশ উদ্ধার করা হয়।
-
অপমৃত্যুর মামলা: তাঁর বাবা কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ দাবি করা হলেও পুলিশ তখন জানায়, অপমৃত্যু মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ মিললে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা মামলায় মোড় নেবে।
২. পূর্ববর্তী তদন্ত প্রতিবেদনসমূহ
-
সিআইডি (১৯৯৭): ৩ নভেম্বর ১৯৯৭ সালে সিআইডি চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে উল্লেখ করে।
-
বিচার বিভাগীয় তদন্ত (২০১৪): দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনেও ঘটনাটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলা হয়।
-
পিবিআই (২০২০): ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআই ৬০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়ে জানায়, সালমান শাহ্ আত্মহত্যা করেছিলেন এবং এর পেছনে পাঁচটি কারণ ছিল।
৩. হত্যা মামলা ও বর্তমান আইনি মোড় (২০২৫–বর্তমান)
-
নারাজি ও হত্যা মামলার নির্দেশ: পিবিআইয়ের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সালমানের মা নীলা চৌধুরীর নারাজি আবেদনের শুনানি শেষে, গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত ঘটনাটিতে সরাসরি হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন।
-
মামলা দায়ের: আদালতের নির্দেশে সালমান শাহ্র মামা আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
-
অন্যতম আসামি ডন গ্রেপ্তার: মামলার ৪ নম্বর আসামি, খলচরিএের অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন সৌদি আরবে ওমরাহ করতে যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তাঁকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
-
বর্তমান তদন্ত: মামলাটি এখন বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নিবিড়ভাবে তদন্ত করছে।

